হ্যাট্রিক!! প্রশ্ন ফাঁসের বিরল নজির রাজ্যে, বাংলা-ইংরাজির পর এবার ইতিহাস! #Exclusive
নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা। এর আগের দুই পরীক্ষা যথাক্রমে বাংলা এবং ইংরাজিতে প্রশ্ন পত্র ফাঁসের মতো ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ ইতিহাসের প্রশ্নও ফাঁস হয়ে গেল এদিন! মোবাইলে মোবাইলে ঘুরছে ইতিহাসের প্রশ্ন পত্র। নজরবন্দির দফতরেও এসে পৌঁছেছে সেই 'লিক' হওয়া প্রশ্নপত্র।সুখবর কৃষকদের জন্যে, কৃষকবন্ধু প্রকল্পে ৪১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য।
এই সরকারের আমলে বহুবার প্রশ্ন ফাঁস হবার অভিযোগ উঠেছে কিন্তু লাগাতার তিনদিন অর্থাৎ মাধ্যমিক স্ট্যান্ডার্ডের পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হ্যাট্রিক পশ্চিমবঙ্গ কেন ভারতের ইতিহাসেই সম্ভবত কোনদিন ঘটেনি। এর আগেও শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় এই একই ভাবে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল।আর এভাবে প্রশ্ন ফাঁসের খবরে বেশ বিরক্ত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছ থেকে পুরো বিষয়টি জেনেও ছিলেন তিনি আগের দিন কিন্তু তাঁর পরেও আবার!!
পরীক্ষা শুরুর আগে বেশ কিছু সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল মধ্য শিক্ষা পর্ষদ, কিন্তু তাতে যে সেরকম কাজ হয়নি তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।কি কি ছিল সেই নিয়ম?
পরীক্ষার্থীদের জন্যে নিয়মঃ কেউ মোবাইল নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবে না। মোবাইল ধরা পড়লে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। খাতা RA করা হবে এবং পরীক্ষার পর ধরা পড়লে উত্তরপত্র RA করা হবে।
শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মচারী-দের জন্যে নিয়মঃ মোবাইল সুইচ অফ করে প্রধান শিক্ষকের ঘরের আলমারিতে রাখতে হবে। যার চাবি থাকবে প্রধান শিক্ষকদের কাছে। মোবাইল ব্যবহার করতে পারছেন শুধুমাত্র সেন্টার সেক্রেটারি, অফিস ইনচার্জ, ভেনু ইনচার্জ, ভেনু সুপারভাইজার, ভেনু অ্যাডিশনাল সুপারভাইজার! এত সবের পরেও ঠেকানো গেলনা প্রশ্নপত্র ফাঁস। তবে গাফিলতি কার? এতো সর্ষের মধ্যেই ভূত!!
দেখুন ইতিহাসের সেই ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র।
এই সরকারের আমলে বহুবার প্রশ্ন ফাঁস হবার অভিযোগ উঠেছে কিন্তু লাগাতার তিনদিন অর্থাৎ মাধ্যমিক স্ট্যান্ডার্ডের পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হ্যাট্রিক পশ্চিমবঙ্গ কেন ভারতের ইতিহাসেই সম্ভবত কোনদিন ঘটেনি। এর আগেও শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় এই একই ভাবে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল।আর এভাবে প্রশ্ন ফাঁসের খবরে বেশ বিরক্ত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছ থেকে পুরো বিষয়টি জেনেও ছিলেন তিনি আগের দিন কিন্তু তাঁর পরেও আবার!!
পরীক্ষার্থীদের জন্যে নিয়মঃ কেউ মোবাইল নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবে না। মোবাইল ধরা পড়লে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। খাতা RA করা হবে এবং পরীক্ষার পর ধরা পড়লে উত্তরপত্র RA করা হবে।
শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মচারী-দের জন্যে নিয়মঃ মোবাইল সুইচ অফ করে প্রধান শিক্ষকের ঘরের আলমারিতে রাখতে হবে। যার চাবি থাকবে প্রধান শিক্ষকদের কাছে। মোবাইল ব্যবহার করতে পারছেন শুধুমাত্র সেন্টার সেক্রেটারি, অফিস ইনচার্জ, ভেনু ইনচার্জ, ভেনু সুপারভাইজার, ভেনু অ্যাডিশনাল সুপারভাইজার! এত সবের পরেও ঠেকানো গেলনা প্রশ্নপত্র ফাঁস। তবে গাফিলতি কার? এতো সর্ষের মধ্যেই ভূত!!


No comments