রাজা তোর কাপড় কোথায়? প্রশ্ন না করে উলঙ্গ 'রাজা' কে LIVE দেখালেন আব্দুল মান্নান! #Editorial
অর্ক সানা, সম্পাদক(নজরবন্দি): মাত্র ৮ দিন আগের ঘটনা, সারদা তদন্তে নথি লোপাটের মত 'গুরুত্বপূর্ন অপরাধে' অভিযুক্ত কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার কে সিবিআই একাধিক বার তলব করলেও তিনি সিবিআই দফতরে হাজির না হওয়ায় তাকে কে জেরা করতে শেষে বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। এরপরের ঘটনা সংবাদমাধ্যমের কল্যানে জানেন রাজ্যবাসী। মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসা মুখ্যমন্ত্রীর নৈতিক জয়ের পর বর্তমানে রাজীব কুমার কে জেরা করছে সেই সিবিআই তবে কলকাতায় নয়, শিলং-এ।
যাই হোক মোট কথা হল চিটফান্ড তদন্তে সিবিআই কে সহযোগিতা না করা এবং নথি লোপাটের মত গুরুত্বপূর্ণ অপরাধে অভিযুক্তের পাশে দাঁড়িয়ে ৩ দিন ধর্মতলার নিষিদ্ধ 'মেট্রো চ্যানেলে' ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশে তৃণমূল তথা বিজেপি বিরোধী 'অ-সংগঠিত' জোটের তাবড় নেতৃত্ব। তাঁর সঙ্গেই মুকুটের পালক হিসেবে একাধিক আইপিএস অফিসার!
কেন ধর্না? কার স্বার্থে? সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজি খুঁজি নারি! কারন পশ্চিমবঙ্গে আইন গুলে খেয়েছেন যারা তাঁদের মধ্যে অগ্রণী সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি (যিনি ২জি কেলেঙ্কারির রায় দিয়ে ভারতের ইতিহাসে ঢুকে পড়েছেন) অশোক কুমার গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন "মুখ্যমন্ত্রীর সংবিধান নিয়ে কোন জ্ঞান নেই, সংবিধান রক্ষা তো দূরের কথা তিনি নিজেই সংবিধান ভাঙছেন।"
ঘটনাচক্রে চিটফাণ্ড তদন্ত সিবিআই এর হাতে যাওয়ার জন্যে যে দুজন দায়ী সেই বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এবং আব্দুল মান্নান এর মধ্যে মান্নান আজ গ্রেফতার হলেন মেট্রো চ্যানেলে বসেই! আব্দুল মান্নান সহ কংগ্রেস কি দাবি নিয়ে মেট্রো চ্যানেলে বসেছিলেন? চিটফাণ্ড প্রতারিতদের টাকা ফেরানো এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্যে!
দুটোই ধর্না, একটা প্রতারিত-দের জন্যে অন্যটা?... প্রশ্নবোধক চিহ্নই বোধহয় উত্তরের থেকে ভাল!
সুতরাং এরাজ্যে আইন এবং সংবিধান কে কিভাবে গুরুত্ব দেয় প্রশাসন তাঁর নমুনা এর থেকে বোধহয় ভাল হতে পারে না! আব্দুল মান্নান কে বলছি আপনার জায়গায় আমি থাকলে মেট্রো চ্যানেলেই বসতাম শুধু গলায় ঝলানো থাকতো একটা নীল-সাদা রঙের প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা থাকত "পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরনায় চিটফান্ড প্রতারিতদের অর্থ ফেরতের দাবীতে ধর্ণা!" মনে হয় গ্রেফতার হতেন না। মান্নান সাহেব আপনি ওই কবিতাটা পড়েন নি? "সবাই দেখছে যে, রাজা উলঙ্গ, তবুও সবাই হাততালি দিচ্ছে। সবাই চেঁচিয়ে বলছে; শাবাশ, শাবাশ!" কবিতাটা পড়ুন আর মনে মনে বলুন যায় "যদি যাক প্রান, হীরকের রানী ভগবান!"
যাই হোক মোট কথা হল চিটফান্ড তদন্তে সিবিআই কে সহযোগিতা না করা এবং নথি লোপাটের মত গুরুত্বপূর্ণ অপরাধে অভিযুক্তের পাশে দাঁড়িয়ে ৩ দিন ধর্মতলার নিষিদ্ধ 'মেট্রো চ্যানেলে' ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশে তৃণমূল তথা বিজেপি বিরোধী 'অ-সংগঠিত' জোটের তাবড় নেতৃত্ব। তাঁর সঙ্গেই মুকুটের পালক হিসেবে একাধিক আইপিএস অফিসার!
ঘটনাচক্রে চিটফাণ্ড তদন্ত সিবিআই এর হাতে যাওয়ার জন্যে যে দুজন দায়ী সেই বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এবং আব্দুল মান্নান এর মধ্যে মান্নান আজ গ্রেফতার হলেন মেট্রো চ্যানেলে বসেই! আব্দুল মান্নান সহ কংগ্রেস কি দাবি নিয়ে মেট্রো চ্যানেলে বসেছিলেন? চিটফাণ্ড প্রতারিতদের টাকা ফেরানো এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্যে!
দুটোই ধর্না, একটা প্রতারিত-দের জন্যে অন্যটা?... প্রশ্নবোধক চিহ্নই বোধহয় উত্তরের থেকে ভাল!
সুতরাং এরাজ্যে আইন এবং সংবিধান কে কিভাবে গুরুত্ব দেয় প্রশাসন তাঁর নমুনা এর থেকে বোধহয় ভাল হতে পারে না! আব্দুল মান্নান কে বলছি আপনার জায়গায় আমি থাকলে মেট্রো চ্যানেলেই বসতাম শুধু গলায় ঝলানো থাকতো একটা নীল-সাদা রঙের প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা থাকত "পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরনায় চিটফান্ড প্রতারিতদের অর্থ ফেরতের দাবীতে ধর্ণা!" মনে হয় গ্রেফতার হতেন না। মান্নান সাহেব আপনি ওই কবিতাটা পড়েন নি? "সবাই দেখছে যে, রাজা উলঙ্গ, তবুও সবাই হাততালি দিচ্ছে। সবাই চেঁচিয়ে বলছে; শাবাশ, শাবাশ!" কবিতাটা পড়ুন আর মনে মনে বলুন যায় "যদি যাক প্রান, হীরকের রানী ভগবান!"

No comments