প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির দাবির বৈধতা মানলেন শিক্ষামন্ত্রী। বড় জয় পেল আন্দোলন।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেতন বঞ্চনার প্রতিবাদে গতকাল ফের পথে নেমেছিলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। পিআরটি স্কেলের দাবিতে কলকাতার বিকাশভবন ও উত্তরবঙ্গের উত্তরকন্যায় বিশাল মানব-বন্ধন গড়ে তোলেন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এর সদস্য শিক্ষকরা। তাদের সেই আন্দোলন বড় জয় পেল সোমবারের পর।
ইউইউপিটিএ-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল মানব-বন্ধন কর্মসূচি চলাকালীন ইউইউপিটিএ-র চার সদস্যের এক প্রতিনিধি দলকে বিকাশ ভবনের এডুকেশন সেক্রেটারির সাথে দেখা করায় প্রশাসন। সচিব জানান, গত ১ জুলাই পিআরটি স্কেলের দাবিতে তাদের জমা দেওয়া ডেপুটেশন পাঠানো হয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে। সেই ডেপুটেশন অর্থ দপ্তরে পেশ করা হয়। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অর্থ দপ্তরে পাঠানোর সেই কপির প্রমান দেখতে চান প্রতিনিধিরা। প্রমাণ পাওয়ার পরে প্রতিনিধিদের তরফে জানানো হয়, এটি তাদের আন্দোলনের এক বড় জয়। অর্থ দপ্তরে তাদের ডেপুটেশন পাঠানোর মানে তাদের দাবির বৈধতা স্বীকার করে নিচ্ছে শিক্ষা দপ্তর।
প্রসঙ্গত, বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। এনসিটিই নিয়ম মেনে যোগ্যতা বৃদ্ধির পরেও বেতন বাড়ানো হয়নি শিক্ষকদের। ইউইউপিটিএ-র দাবি, ভারতীয় রেলের একজন সাফাইকর্মীর বেতন যেখানে ২৯,৩৯০ টাকা সেখানে এরাজ্যের একজন প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন ১৯,৩০৬ টাকা। প্রত্যেক পেশার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেই এক সদস্য শিক্ষক জানান, এই বেতন বৈষম্যের বিষটি চরম লজ্জার। ন্যায্য বেতনের দাবিতেই তাদের আন্দোলন, যা এক নতুন দিশা পেল সোমবারের পর।
ইউইউপিটিএ-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল মানব-বন্ধন কর্মসূচি চলাকালীন ইউইউপিটিএ-র চার সদস্যের এক প্রতিনিধি দলকে বিকাশ ভবনের এডুকেশন সেক্রেটারির সাথে দেখা করায় প্রশাসন। সচিব জানান, গত ১ জুলাই পিআরটি স্কেলের দাবিতে তাদের জমা দেওয়া ডেপুটেশন পাঠানো হয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে। সেই ডেপুটেশন অর্থ দপ্তরে পেশ করা হয়। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অর্থ দপ্তরে পাঠানোর সেই কপির প্রমান দেখতে চান প্রতিনিধিরা। প্রমাণ পাওয়ার পরে প্রতিনিধিদের তরফে জানানো হয়, এটি তাদের আন্দোলনের এক বড় জয়। অর্থ দপ্তরে তাদের ডেপুটেশন পাঠানোর মানে তাদের দাবির বৈধতা স্বীকার করে নিচ্ছে শিক্ষা দপ্তর।
