বি জে পি আর তৃণমূল হল হেড আর টেল! একই মুদ্রার এপিঠ, ওপিঠ। তীব্র আক্রমণ সূর্যকান্তের
রাজ্য ও কেন্দ্র এই দুই সরকারের তীব্র সমালোচনা করে মিশ্র বলেন, কুড়ি হাজার কোটি টাকার রাফালে বিমান দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হ্যালকে সরিয়ে অনিল আম্বানির সংস্থাকে এই বরাত পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতির সব সীমাকে ছাড়িয়ে গেছে বি জে পি-র সরকার। মোদী ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিলেন, উনি কালো টাকা বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনবেন। কিন্তু উনি সেটা করতে পারেন নি। উল্টে এখন দেশের টাকা বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।
একের পর এক ঋণখেলাপী শিল্পপতিরা সাধারণ মানুষের টাকা চুরি করে পালিয়েছে বিদেশে। এর পরেই তিনি বলেন, কৃষকের ফসলের উৎপাদন মূল্য নেই। বেকার যুবদের কর্মসংস্থান কমছে। শ্রমজীবী মানুষের মজুরি নেই, মহিলাদের নিরাপত্তা নেই। তৃণমূলের সাড়ে সাত বছর আর মোদী সরকারের সাড়ে চার বছরে সমাজের কোনও মানুষই ভাল নেই। যাঁরা বি জে পি, তৃণমূলকে ভোট দেন তাদেরও অবস্থা এখন খারাপ। মুখ্যমন্ত্রী শিল্প আনার জন্য বিভিন্ন দেশে ঘুরছেন, কিন্তু একটা শিল্পও আসেনি আমাদের রাজ্যে।
বরং যে কটি কারখানা আছে, সেখানেও তালা পড়ছে। দুই সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে সাধারণ মানুষকে। বি পি এম ও ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে। আরও অনেক সংগঠনকে যুক্ত করতে হবে এই আন্দোলনের সাথে। কিন্তু সূর্য মিশ্র আজ যে বক্তব্য রাখেন সেখানে দুই সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি এই রাজ্যের বাম মনস্ক সাধারণ জনগণের মধ্যে যেভাবে বিজেপি প্রীতি ক্রমশ বাড়ছে, সেই ভাঙন কি করে সিপি আই(এম) ঠেকাবে! তার কোনও দিশা দেখাতে পারেনি তিনি। এমনটাই মনে করেন রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।