প্রয়াত অনিল বসু, অধরাই থাকল রক্ত পতাকা।
অর্ক সানাঃ অনিল বসু, পশ্চিমবঙ্গের বাম তথা সিপিআইএম রাজনীতির অন্যতম কাণ্ডারী। সময়টা ছিল ১৯৮৪ প্রথমবার সিপিআইএম তাঁকে আরামবাগ কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করতে পাঠায়। সেই শুরু তারপর টানা ছ-বার! প্রতিবারেই জয়, কার্যত রেকর্ড ভোটে জয়।
২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচন, অনিল জিতেছিলেন ৫ লাখ ৯২ হাজার ৫০২ ভোটে। এই রেকর্ড আজও সবার অধরা। জয়ের ব্যাবধানের কাছাকাছি একজন পৌঁছেছিলেন গত লোকসভা নির্বাচনে তিনি আর কেউ নন ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভদোদরা আসন থেকে ৫ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু কাছাকাছি গেলেও ভাঙতে পারেননি অনিলের জেতার রেকর্ড। (বর্তমানে অনিল বসু জয়ের মার্জিনে দ্বিতীয়। তাঁর রেকর্ড সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের বিজেপি সাংসদ প্রিতম মুণ্ডে ভেঙেছেন যার জয়ের ব্যাবধান ৬ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩২১)
২০১২ সালে দলবিরোধী কাজের দায়ে অনিল বসুকে বহিষ্কার করে সিপিআইএমের কমিশন। আজ বর্নময় চরিত্রের সাড়ে তিন দশকের সাংসদ প্রয়াত হলেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। কিডনির সমস্যা, চলছিল ডায়ালিসিস। আগস্ট মাসে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে।
চলে গেলেন অনিল বসু, পশ্চিমবঙ্গে থেকে গেল তাঁর ৫ লক্ষ ৯২ হাজার মার্জিনের রেকর্ড। আর হয়তো একটা আক্ষেপ, প্রানের থেকেও প্রিয় পার্টির রক্ত পতাকাটা অধরাই থেকে গেল।
২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচন, অনিল জিতেছিলেন ৫ লাখ ৯২ হাজার ৫০২ ভোটে। এই রেকর্ড আজও সবার অধরা। জয়ের ব্যাবধানের কাছাকাছি একজন পৌঁছেছিলেন গত লোকসভা নির্বাচনে তিনি আর কেউ নন ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভদোদরা আসন থেকে ৫ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু কাছাকাছি গেলেও ভাঙতে পারেননি অনিলের জেতার রেকর্ড। (বর্তমানে অনিল বসু জয়ের মার্জিনে দ্বিতীয়। তাঁর রেকর্ড সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের বিজেপি সাংসদ প্রিতম মুণ্ডে ভেঙেছেন যার জয়ের ব্যাবধান ৬ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩২১)
২০১২ সালে দলবিরোধী কাজের দায়ে অনিল বসুকে বহিষ্কার করে সিপিআইএমের কমিশন। আজ বর্নময় চরিত্রের সাড়ে তিন দশকের সাংসদ প্রয়াত হলেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। কিডনির সমস্যা, চলছিল ডায়ালিসিস। আগস্ট মাসে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে।
চলে গেলেন অনিল বসু, পশ্চিমবঙ্গে থেকে গেল তাঁর ৫ লক্ষ ৯২ হাজার মার্জিনের রেকর্ড। আর হয়তো একটা আক্ষেপ, প্রানের থেকেও প্রিয় পার্টির রক্ত পতাকাটা অধরাই থেকে গেল।
