চলে গেলেন বাসবী নন্দী। চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ চলে গেলেন বাসবী নন্দী, বাংলা চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়াকলকাতার সমস্ত থিয়েটার হলেই বাসবী রেখে গেছেন তাঁর কাজের ছাপ। তাঁর মৃত্যু বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বড় ক্ষতি। মৃত্যু কালে বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। গত রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।
বাসবী নন্দীর তুলনা বাসবী ছিলেন নিজেই। ষাটের দশকে যাঁরা রঙ্গমঞ্চ থেকে সিনেমায় এসেছিলেন, বাসবী নন্দী ছিলেন তাদের অন্যতম। থিয়েটার ট্রেনিং-এর কারণেই বাসবী গানও গাইতেন, নেপথ্য সঙ্গীত ও "বেসিক" গানের রেকর্ডও করেছিলেন।
কলকাতার সমস্ত থিয়েটার হলেই বাসবী রেখে গেছেন তাঁর কাজের ছাপ। স্টার থিয়েটারে ‘কারাগার’ (১৯৬২), রঙমহলে ‘সেইম-সাইড’ (১৯৬৮/৬৯), বিজন থিয়েটারে ‘শ্রীমতি ভয়ঙ্করী’(১৯৮০) তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক।
বাসবী নন্দীকে রুপোলি পর্দায় প্রথম দেখা যায় ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’ (১৯৫৮) ছবিতে। ‘বনপলাশীর পদাবলী’(১৯৭৩)-তে উত্তম কুমার-এর বিপরীতে তাঁর অভিনয় বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীরা কোনও দিন ভুলতে পারবেন না।
বাসবী নন্দীর তুলনা বাসবী ছিলেন নিজেই। ষাটের দশকে যাঁরা রঙ্গমঞ্চ থেকে সিনেমায় এসেছিলেন, বাসবী নন্দী ছিলেন তাদের অন্যতম। থিয়েটার ট্রেনিং-এর কারণেই বাসবী গানও গাইতেন, নেপথ্য সঙ্গীত ও "বেসিক" গানের রেকর্ডও করেছিলেন।
কলকাতার সমস্ত থিয়েটার হলেই বাসবী রেখে গেছেন তাঁর কাজের ছাপ। স্টার থিয়েটারে ‘কারাগার’ (১৯৬২), রঙমহলে ‘সেইম-সাইড’ (১৯৬৮/৬৯), বিজন থিয়েটারে ‘শ্রীমতি ভয়ঙ্করী’(১৯৮০) তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক।
বাসবী নন্দীকে রুপোলি পর্দায় প্রথম দেখা যায় ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’ (১৯৫৮) ছবিতে। ‘বনপলাশীর পদাবলী’(১৯৭৩)-তে উত্তম কুমার-এর বিপরীতে তাঁর অভিনয় বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীরা কোনও দিন ভুলতে পারবেন না।

No comments