আরও জটিল হচ্ছে নির্বাচন ! ১৪-মে কি আদৌ নির্বাচন সম্ভব?
নজরবন্দি ব্যুরো: চলতি মাসের ১৪ তারিখে পঞ্চায়েত ভোট হওয়ার সম্ভবনা কার্যত নেই। এমনটাই মনে করেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত নির্ঘন্ট অনুযায়ী আগামী ১৪ মে রাজ্য পঞ্চায়েত ভোট অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের অবসান হবার কথা ছিল শুক্রবার। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চ মামলার গুরুত্ব বুঝে আগামী ৮ মে মঙ্গলবার ফের শুনানির দিন ধার্য করেছে।
আর যদি ধরে নিই সেদিন চূড়ান্ত কোনও ইতিবাচক রায় দিলো আদালত, তাহলে ওই ছয় দিনের মধ্যে আদৌ নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই পূর্ব ঘোষিত ১, ৩, ৫ মে’র পঞ্চায়েত ভোট বাতিল হয়েছে বিরোধীদের করা অভিযোগের ভিত্তিতে। এর পর ১৪ মে একদিনে কিভাবে ভোট করা সম্ভব? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আবার আদালতের দ্বারস্থ হয় বিরোধীরা। সেই মামলাতেই শুক্রবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পঞ্চায়েত ভোটের ভাগ্য চূড়ান্ত করার কথা ছিল। শুক্রবার এই মামলার শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, আদালতের অন্যান্য বেঞ্চে পঞ্চায়েত নিয়ে যে মামলাগুলি চলছিল তার গতিপ্রকৃ্তি দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আর এর ফলে ১৪ মে পঞ্চায়েত ভোট করা প্রায় অসম্ভব, সম্ভবত এমনটা মনে করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
যদিও আদালতের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ রাজ্য সরকার।
আর যদি ধরে নিই সেদিন চূড়ান্ত কোনও ইতিবাচক রায় দিলো আদালত, তাহলে ওই ছয় দিনের মধ্যে আদৌ নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই পূর্ব ঘোষিত ১, ৩, ৫ মে’র পঞ্চায়েত ভোট বাতিল হয়েছে বিরোধীদের করা অভিযোগের ভিত্তিতে। এর পর ১৪ মে একদিনে কিভাবে ভোট করা সম্ভব? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আবার আদালতের দ্বারস্থ হয় বিরোধীরা। সেই মামলাতেই শুক্রবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পঞ্চায়েত ভোটের ভাগ্য চূড়ান্ত করার কথা ছিল। শুক্রবার এই মামলার শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, আদালতের অন্যান্য বেঞ্চে পঞ্চায়েত নিয়ে যে মামলাগুলি চলছিল তার গতিপ্রকৃ্তি দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আর এর ফলে ১৪ মে পঞ্চায়েত ভোট করা প্রায় অসম্ভব, সম্ভবত এমনটা মনে করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
যদিও আদালতের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ রাজ্য সরকার।

No comments