"আর বেশিদিন বাকি নেই এই দুঃস্বপ্নের রাজত্ব আপনাকেও দেখতে হবে" মমতাকে বিঁধলেন অধীর।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবার নির্বাচনে মনোনয়ন ঘিরে কংগ্রেসের মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটল কান্দিতে। আজ কান্দি বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিল করে দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মনোনয়ন পত্র দিতে এসডিও অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন অধীর চৌধুরি।
কংগ্রেসের মিছিলটি যখন কান্দি রাজ হাইস্কুলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল তখন খড়গ্রাম ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মফিজুদ্দিন মণ্ডল একদল তৃণমূল কর্মী নিয়ে হামলা চালান কংগ্রেসের মিছিলে বলে অভিযোগ! কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের দিকে তেড়ে যায় হামলাকারীরা। রাস্তায় ফেলে চলে মারধর! পুলিশের সামনেই এই তাণ্ডব চলে বলে অভিযোগ। তবে আক্রমন শানানো হয় অধীর চৌধুরীকে বাদ দিয়ে! এই ঘটনার প্রতিবাদে কান্দি থানা ঘেরাও করে কংগ্রেস। কংগ্রেস ঘেরাও করার পাশাপাশি থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে যোগ দেয় সিপিআইএম এবং বিজেপি।
অধীর চৌধুরি বলেন, " আমরা বোমা পিস্তল নিয়ে আসিনি। এসেছিলাম ভোটের মনোনয়ন জমা দিতে। সেই মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হল না। জানতাম, হামলা হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই হামলা চালিয়েছে। রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট প্রহসনে পরিণত হয়েছে। পুলিশ দেখেও দেখছে না। প্রতিদিন সব দলের লোকজন মার খাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন দেখেও দেখছে না। রাজ্য জুড়ে অরাজকতা চলছে।"
তাঁর কথায়, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান মুর্শিদাবাদ দখল করতে। যে কোনওভাবে যে কোনও মূল্যে ভোটে জয়লাভ করতে হবে, এটাই লক্ষ্য তাঁর। এবার ভোটে হয়তো তিনি জয়লাভ করবেন। কারণ আমরা জেলা পরিষদে কোনও প্রার্থীই দিতে পারিনি। আমাদের প্রার্থী দিতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মনে রাখবেন এক মাঘে শীত যায় না। আরও অনেক নির্বাচন আছে। আর আপনাকেও একদিন এই দুঃস্বপ্নের রাজত্ব দেখতে হবে। সেদিন আর বেশি দূরে নয়!"
কংগ্রেসের মিছিলটি যখন কান্দি রাজ হাইস্কুলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল তখন খড়গ্রাম ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মফিজুদ্দিন মণ্ডল একদল তৃণমূল কর্মী নিয়ে হামলা চালান কংগ্রেসের মিছিলে বলে অভিযোগ! কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের দিকে তেড়ে যায় হামলাকারীরা। রাস্তায় ফেলে চলে মারধর! পুলিশের সামনেই এই তাণ্ডব চলে বলে অভিযোগ। তবে আক্রমন শানানো হয় অধীর চৌধুরীকে বাদ দিয়ে! এই ঘটনার প্রতিবাদে কান্দি থানা ঘেরাও করে কংগ্রেস। কংগ্রেস ঘেরাও করার পাশাপাশি থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে যোগ দেয় সিপিআইএম এবং বিজেপি।
অধীর চৌধুরি বলেন, " আমরা বোমা পিস্তল নিয়ে আসিনি। এসেছিলাম ভোটের মনোনয়ন জমা দিতে। সেই মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হল না। জানতাম, হামলা হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই হামলা চালিয়েছে। রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট প্রহসনে পরিণত হয়েছে। পুলিশ দেখেও দেখছে না। প্রতিদিন সব দলের লোকজন মার খাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন দেখেও দেখছে না। রাজ্য জুড়ে অরাজকতা চলছে।"
তাঁর কথায়, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান মুর্শিদাবাদ দখল করতে। যে কোনওভাবে যে কোনও মূল্যে ভোটে জয়লাভ করতে হবে, এটাই লক্ষ্য তাঁর। এবার ভোটে হয়তো তিনি জয়লাভ করবেন। কারণ আমরা জেলা পরিষদে কোনও প্রার্থীই দিতে পারিনি। আমাদের প্রার্থী দিতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মনে রাখবেন এক মাঘে শীত যায় না। আরও অনেক নির্বাচন আছে। আর আপনাকেও একদিন এই দুঃস্বপ্নের রাজত্ব দেখতে হবে। সেদিন আর বেশি দূরে নয়!"
No comments