কেন্দ্রীয় বাজেট 'চূড়ান্ত ফ্লপ', দিদি-র বাজেট গরীবের জন্যে! বিকল্প আশ্রয়ের খোঁজে ঋতব্রত?
নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১লা ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ গতকালই সংসদে পেশ হয়েছে দেশের সাধারণ বাজেট। তার ঠিক পরপরই অর্থমন্ত্রী অরুন জেটলির পেশ করা এই বাজেটকে চূড়ান্ত সমালোচনা করলেন সিপিআইএম-এর বহিষ্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সংবাদপত্রে নিজের লেখা একটি প্রতিবেদনে এই বাজেটকে মোদী সরকারের 'চূড়ান্ত ফ্লপ সিনেমা' বলে বিদ্রুপ করলেন তিনি।
গতকালের বাজেটে ঘোষণা মোতাবেক প্রত্যক্ষ কর বাড়ানো হয়নি, বেড়েছে অপ্রত্যক্ষ কর। এই বিষয়টিকে প্রথমেই উল্লেখ করে ঋতব্রত বলেন, এর ফলে সুবিধা হয়েছে ধনী শ্রেণীর। অপ্রত্যক্ষ কর বাড়ায় বিপাকে পড়বেন দেশের আমজনতা। তাই এবারেও মোদী সরকারের বাজেট চূড়ান্ত হতাশ করলো দেশের মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষকে। বিজেপি সরকারকে 'স্যুট বুটের সরকার' বলে যে অভিযোগ এতদিন বিরোধীরা করতেন সেই অভিযোগেই শিলমোহর দিল এই বাজেট, মত এই বহিষ্কৃত সাংসদের। কৃষি এবং সুরক্ষা ক্ষেত্রে কোনো নজর দেওয়া হয়নি এই বাজেটে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শেষ করে দেবে বিজেপি, অভিযোগ তাঁর।
অপরদিকে তার একদিন আগেই পেশ হওয়া রাজ্য বাজেটকে ঢালাও প্রশংসা করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের গুণগান করে তিনি বলেন, বিগত ৫ বছরে এরাজ্যের কৃষকের রোজগার ডবল হয়েছে। কৃষকদের মাসে পেনশন দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশের কথা মুখে বললেও আসলে কাজে তা করে দেখাচ্ছেন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কিছুদিন আগেও যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি পদক্ষেপে সমালোচনা করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই ঋতব্রতই হঠাৎ মমতা-বন্দনায় ব্রতী হলেন কেন? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। প্রসঙ্গত, সিপিআইএম থেকে বহিষ্কারের পর বিজেপিতে যাচ্ছেন ঋতব্রত, এরকম একটি কথা শোনা যাচ্ছিলো। কিন্তু বিজেপির তরফে তাকে দলে নিতে সেভাবে উৎসাহ দেখানো হয়নি। ফলে বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করেছিলেন এই বহিষ্কৃত সাংসদ। সেই বিকল্প পথই কি তৃণমূল? বিদ্রুপ করে বলছেন বিরোধীরা।
গতকালের বাজেটে ঘোষণা মোতাবেক প্রত্যক্ষ কর বাড়ানো হয়নি, বেড়েছে অপ্রত্যক্ষ কর। এই বিষয়টিকে প্রথমেই উল্লেখ করে ঋতব্রত বলেন, এর ফলে সুবিধা হয়েছে ধনী শ্রেণীর। অপ্রত্যক্ষ কর বাড়ায় বিপাকে পড়বেন দেশের আমজনতা। তাই এবারেও মোদী সরকারের বাজেট চূড়ান্ত হতাশ করলো দেশের মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষকে। বিজেপি সরকারকে 'স্যুট বুটের সরকার' বলে যে অভিযোগ এতদিন বিরোধীরা করতেন সেই অভিযোগেই শিলমোহর দিল এই বাজেট, মত এই বহিষ্কৃত সাংসদের। কৃষি এবং সুরক্ষা ক্ষেত্রে কোনো নজর দেওয়া হয়নি এই বাজেটে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শেষ করে দেবে বিজেপি, অভিযোগ তাঁর।
অপরদিকে তার একদিন আগেই পেশ হওয়া রাজ্য বাজেটকে ঢালাও প্রশংসা করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের গুণগান করে তিনি বলেন, বিগত ৫ বছরে এরাজ্যের কৃষকের রোজগার ডবল হয়েছে। কৃষকদের মাসে পেনশন দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশের কথা মুখে বললেও আসলে কাজে তা করে দেখাচ্ছেন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কিছুদিন আগেও যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি পদক্ষেপে সমালোচনা করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই ঋতব্রতই হঠাৎ মমতা-বন্দনায় ব্রতী হলেন কেন? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। প্রসঙ্গত, সিপিআইএম থেকে বহিষ্কারের পর বিজেপিতে যাচ্ছেন ঋতব্রত, এরকম একটি কথা শোনা যাচ্ছিলো। কিন্তু বিজেপির তরফে তাকে দলে নিতে সেভাবে উৎসাহ দেখানো হয়নি। ফলে বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করেছিলেন এই বহিষ্কৃত সাংসদ। সেই বিকল্প পথই কি তৃণমূল? বিদ্রুপ করে বলছেন বিরোধীরা।
No comments