মুকুল চলে গেছে! সংগঠন শূন্য। ত্রিপুরায় ৫০% আসনেও প্রার্থী দিতে পারল না সর্বভারতীয় তৃণমূল!
নজরবন্দি ব্যুরো: আস্ফালন সার এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের! একটু ভুল বললাম... সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের।
ত্রিপুরায় ঘাস ফুলের প্রতীকে দলের প্রার্থী করতে মাত্র ৬০ জন প্রতিনিধিকে খুঁজে পেলো না তৃণমূল কংগ্রেস।
অনেক চেষ্টা করে প্রার্থী দিলো মাত্র ২৫ আসনে। ত্রিপুরায় মনোনয়ন জমা দেওয়া শেষ হয়েছে বুধবার।
ত্রিপুরাতে বাম রাজত্বের অবসান ঘটাতে সাধারণ মানুষকে এখন ভরসা করতে হবে বিজেপিকেই। আর কোন বিকল্প শক্তি নেই এই মুহূর্তে। মনে করেন রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। কারণ ওখানের মানুষজন জানে কংগ্রেসকে ভোট দিলে এই মুহূর্তে কোন লাভ নেই। কারণ, কংগ্রেস ও বামেদের মূল লক্ষ্য যে করেই হোক বিজেপিকে দেশ থেকে হটানো।
তাই ওই রাজ্যের পরিবর্তন পন্থি জনগণের কাছে এখন বিজেপি ছাড়া আর কোন বিকল্প শক্তি নেই তাদের হাতে। তৃণমূল কংগ্রেসও ত্রিপুরাতে বামেদের বিকল্প হতে পারেনা। তৃণমূল মুখে যাই বলুক তাদের এখনও সাংগঠনিক ক্ষমতা সেই যায়গাতে যায়নি ওই রাজ্যের সবকটি সিটে তারা প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবে। তাই ওই রাজ্যের পরিবর্তন পন্থি মানুষজনের একমাত্র ভরসা তৃণমূল নয়, কংগ্রেসও নয়। ভরসা বিজেপিতে।
ত্রিপুরায় ঘাস ফুলের প্রতীকে দলের প্রার্থী করতে মাত্র ৬০ জন প্রতিনিধিকে খুঁজে পেলো না তৃণমূল কংগ্রেস।
অনেক চেষ্টা করে প্রার্থী দিলো মাত্র ২৫ আসনে। ত্রিপুরায় মনোনয়ন জমা দেওয়া শেষ হয়েছে বুধবার।
ত্রিপুরাতে বাম রাজত্বের অবসান ঘটাতে সাধারণ মানুষকে এখন ভরসা করতে হবে বিজেপিকেই। আর কোন বিকল্প শক্তি নেই এই মুহূর্তে। মনে করেন রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। কারণ ওখানের মানুষজন জানে কংগ্রেসকে ভোট দিলে এই মুহূর্তে কোন লাভ নেই। কারণ, কংগ্রেস ও বামেদের মূল লক্ষ্য যে করেই হোক বিজেপিকে দেশ থেকে হটানো।
তাই ওই রাজ্যের পরিবর্তন পন্থি জনগণের কাছে এখন বিজেপি ছাড়া আর কোন বিকল্প শক্তি নেই তাদের হাতে। তৃণমূল কংগ্রেসও ত্রিপুরাতে বামেদের বিকল্প হতে পারেনা। তৃণমূল মুখে যাই বলুক তাদের এখনও সাংগঠনিক ক্ষমতা সেই যায়গাতে যায়নি ওই রাজ্যের সবকটি সিটে তারা প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবে। তাই ওই রাজ্যের পরিবর্তন পন্থি মানুষজনের একমাত্র ভরসা তৃণমূল নয়, কংগ্রেসও নয়। ভরসা বিজেপিতে।
No comments