বেতন না দিয়েই কর্মীদের ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে!
নজরবন্দি ব্যুরো: গোটা দেশে করনা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে। এই সংক্রমণ আটকাতে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তার পরেও গোটা দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। শেষ পাওয়া খবর অনুসারে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য জুড়ে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা, ১৬ হাজার ৬৭ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫০২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫২৭ জনের এবং এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন ১৩ হাজার ৩৮ জন। যদিও এই লকডাউনের কারণে বড় ধাক্কা আসতে চলেছে ভারতীয় অর্থনীতিতে। কাজ হারাতে চলেছেন বহু মানুষ। এমনটাই আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের।
বেতন দিচ্ছে না গো–এয়ার বিমান সংস্থা। এমন গুরুতর অভিযোগ উঠল। বেতন না দিয়েই কর্মীদের ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কর্মচারীদের একটি মেইলও পাঠানো হয়েছে। তাতেই বলা হয়েছে, ৩ মে পর্যন্ত কর্মীদের ছুটি দেওয়া হল। এই সময়ে কোনও বেতন পাবেন না কর্মচারীরা। সংস্থার খরচ বাঁচাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এমন চাঞ্চল্যকর খবর। সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কর্মীদের পাঠানো চিঠি তাদের কাছেও আছে। গত ১৪ এপ্রিল লকডাউনের প্রথম দফা শেষ হয়েছিল। তার আগেই দ্বিতীয় পর্বের ঘোষণা করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ৩ মে পর্যন্ত গোটা দেশে লকডাউন চলবে। সেই সময়ে বন্ধ থাকবে আন্তঃরাজ্য এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা। ফলে বন্ধ থাকবে উড়ান চলাচল। কিন্তু এই লকডাউনের সময়ে বিমান সংস্থার কর্মীরা যাতে মাইনে পান, তার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদেরও খেয়ে পরে বাঁচতে হবে। এদিকে বেতন না দিয়েই কর্মীদের ছুটিতে পাঠিয়েছে বিমান সংস্থা। তবে ওই সংস্থার দাবি, গত ১৮ এপ্রিল কর্তৃপক্ষের তরফে একটি নোটিশ দেওয়া হয়ে ছিল। তাতে বলা হয়েছিল, খরচ বাঁচাতে এইরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে গো–এয়ার।
বেতন দিচ্ছে না গো–এয়ার বিমান সংস্থা। এমন গুরুতর অভিযোগ উঠল। বেতন না দিয়েই কর্মীদের ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কর্মচারীদের একটি মেইলও পাঠানো হয়েছে। তাতেই বলা হয়েছে, ৩ মে পর্যন্ত কর্মীদের ছুটি দেওয়া হল। এই সময়ে কোনও বেতন পাবেন না কর্মচারীরা। সংস্থার খরচ বাঁচাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এমন চাঞ্চল্যকর খবর। সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কর্মীদের পাঠানো চিঠি তাদের কাছেও আছে। গত ১৪ এপ্রিল লকডাউনের প্রথম দফা শেষ হয়েছিল। তার আগেই দ্বিতীয় পর্বের ঘোষণা করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ৩ মে পর্যন্ত গোটা দেশে লকডাউন চলবে। সেই সময়ে বন্ধ থাকবে আন্তঃরাজ্য এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা। ফলে বন্ধ থাকবে উড়ান চলাচল। কিন্তু এই লকডাউনের সময়ে বিমান সংস্থার কর্মীরা যাতে মাইনে পান, তার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদেরও খেয়ে পরে বাঁচতে হবে। এদিকে বেতন না দিয়েই কর্মীদের ছুটিতে পাঠিয়েছে বিমান সংস্থা। তবে ওই সংস্থার দাবি, গত ১৮ এপ্রিল কর্তৃপক্ষের তরফে একটি নোটিশ দেওয়া হয়ে ছিল। তাতে বলা হয়েছিল, খরচ বাঁচাতে এইরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে গো–এয়ার।

No comments